kanyaratna Prakalpa 2026 : কন্যারত্ন প্রকল্পের যোগ্যতা, আবেদন, K1, K2, K3

পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের ছাত্রীদের জন্য চালু জনপ্রিয় আর্থিক সহায়তা প্রকল্প কন্যাশ্রী-র নতুন নাম দিয়েছে কন্যারত্ন প্রকল্প (kanyaratna Prakalpa)।নবান্ন সভাঘরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণা করেন। প্রকল্পের নাম বদলালেও K1 (বার্ষিক ₹1,000), K2 (এককালীন ₹25,000) এবং K3 (স্নাতকোত্তর স্তরে সহায়তা) – এই তিনটি ধাপের সুযোগ-সুবিধা অপরিবর্তিত থাকছে। পাশাপাশি, প্রতি বছর ১৪ আগস্ট পালন করা ‘কন্যাশ্রী দিবস’-এর নামও বদলে এখন করা হয়েছে ‘কন্যারত্ন দিবস’

একনজরে -

kanyaratna Prakalpa 2026

কন্যারত্ন প্রকল্প ( kanyaratna Prakalpa 2026 )

বিষয়তথ্য
প্রকল্পের নামকন্যারত্ন প্রকল্প (Kanyaratna Scheme)
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
ঘোষণা হয়েছে২০২৬
চালু করেছেনপশ্চিমবঙ্গ সরকার
উদ্দেশ্যবাল্যবিবাহ রোধ করা এবং মেয়েদের শিক্ষায় উৎসাহিত করা
সুবিধাK1: বার্ষিক ₹১০০০, K2: এককালীন ₹২৫,০০০, K3: উচ্চশিক্ষার জন্য নির্ধারিত বৃত্তি (যোগ্য আবেদনকারীদের জন্য
কারা পাবেন (যোগ্যতা)পশ্চিমবঙ্গের যোগ্য অবিবাহিত ছাত্রী
আবেদন পদ্ধতিস্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে অনলাইনে
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
https://wbkanyashree.gov.in
হেল্পলাইন নম্বরসংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান / জেলা সমাজকল্যাণ দপ্তরে যোগাযোগ করুন
সর্বশেষ আপডেটসংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান / জেলা সমাজকল্যাণ দপ্তরে যোগাযোগ করুন

কন্যারত্ন প্রকল্প কী ও কেন নাম পরিবর্তন হলো?

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর জানানো হয়, আগের কোনো জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না, শুধু সেগুলিকে নতুনভাবে সাজানো হবে। সেই অনুযায়ী ২০১৩ সালে চালু হওয়া কন্যাশ্রী প্রকল্প-এর নাম বদলে করা হয়েছে কন্যারত্ন প্রকল্প। একই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের সাইকেল প্রদানের সবুজ সাথী প্রকল্প-এর নামও বদলে রাখা হয়েছে সারথি প্রকল্প

সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, শুধু নাম বদলেছে — প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং আর্থিক সহায়তার পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকছে।

কন্যারত্ন প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য

  • আর্থিক সমস্যার কারণে ছাত্রীদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া আটকানো।
  • ১৮ বছরের আগে বিয়ে রোধ করে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ।
  • উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের উৎসাহ দেওয়া ও স্বাবলম্বী করে তোলা।

কন্যাশ্রী বনাম কন্যারত্ন

বিষয়কন্যাশ্রী প্রকল্প (পুরনো নাম)কন্যারত্ন প্রকল্প (নতুন নাম)
চালু হয়২০১৩২০২৬ (নাম পরিবর্তন)
প্রকল্পের নামকন্যাশ্রীকন্যারত্ন
উৎসবের দিন১৪ আগস্ট — কন্যাশ্রী দিবস১৪ আগস্ট — কন্যারত্ন দিবস
আবেদন পদ্ধতিআছেঅপরিবর্তিত
আবেদন পদ্ধতিস্কুল/কলেজের মাধ্যমে আবেদনঅফিসিয়াল নির্দেশিকা অনুযায়ী (আপডেট হবে)

কন্যাশ্রী প্রকল্প কোনো নতুন প্রকল্প নয়। যাঁরা আগে কন্যাশ্রীর সুবিধা পেতেন বা আবেদনের যোগ্য ছিলেন, তাঁরা এখন কন্যারত্নের অধীনে একই সুবিধা পাবেন।

K1, K2, K3 – সম্পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা

K1 – বার্ষিক বৃত্তি

  • কারা পাবে: ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সি ছাত্রী, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত
  • পরিমাণ: প্রতি বছর ₹1,000
  • শর্ত: সরকার স্বীকৃত স্কুল/প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি বজায় রাখতে হবে

K2 – এককালীন অনুদান

  • কারা পাবে: ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সি, অবিবাহিত ছাত্রী
  • পরিমাণ: এককালীন ₹25,000
  • শর্ত: আবেদনের সময় অবিবাহিত থাকার স্ব-ঘোষণাপত্র জমা দিতে হয়

K3 – উচ্চশিক্ষা সহায়তা (স্নাতকোত্তর স্তর)

  • কারা পাবে : যাঁরা আগে K2-এর সুবিধা পেয়েছেন এবং স্নাতক স্তরে অন্তত ৪৫% নম্বর পেয়ে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হয়েছেন, তাঁরাই কেবল K3-এর যোগ্য
  • বয়সসীমা : K3-এর ক্ষেত্রে কোনো ঊর্ধ্ব বয়সসীমা নেই
  • পরিমাণ (মাসিক বৃত্তি): কলা ও বাণিজ্য বিভাগে (PG) মাসে ₹2,000 এবং বিজ্ঞান বিভাগে ( PG) মাসে ₹2,500

কন্যারত্ন প্রকল্প কারা পাবে (Eligibility Criteria)

কন্যারত্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করতে হবে –

সাধারণ যোগ্যতা (General Eligibility)

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • নিয়মিতভাবে কোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে হবে।
  • আবেদনকারীকে অবিবাহিত হতে হবে।
  • পরিবারের বার্ষিক আয় ₹১,২০,০০০ টাকার বেশি হওয়া চলবে না।

বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় :
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে পরিবারের আয় ₹১,২০,০০০ টাকার বেশি হলেও আবেদন করা যাবে –

  • ৪০% বা তার বেশি প্রতিবন্ধী ছাত্রী
  • সরকার অনুমোদিত শিশু নিবাসে থাকা ছাত্রী
  • উভয় পিতা-মাতা মৃত এমন ছাত্রী

বার্ষিক স্কলারশিপ (K1 স্তর)

  • আবেদনকারীর বয়স ১৩ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • ১৮ বছর পূর্ণ করা যাবে না (১৮ বছর পার হলে K1-এর জন্য অযোগ্য, K2-এর জন্য যোগ্য)।
  • সরকারি স্বীকৃত স্কুলে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়তে হবে বা সমমানের ভোকেশনাল/টেকনিক্যাল কোর্সে ভর্তি থাকতে হবে।

এককালীন অনুদান (K2 স্তর)

  • আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • উচ্চশিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে।

কন্যাশ্রী স্কলারশিপ (K3 স্তর)

  • শুধুমাত্র K2-তে পূর্বে নিবন্ধিত ছাত্রীরাই আবেদন করতে পারবে।
  • আবেদন করার জন্য কোনো সর্বোচ্চ বয়সসীমা নেই।
  • স্নাতক স্তরে কমপক্ষে ৪৫% নম্বর পেতে হবে।
  • যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হতে হবে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র ( kanyaratna Prakalpa Documents)

আবেদন করার সময় নিচের নথিগুলির ফটোকপি জমা দিতে হবে –

  • Birth Certificate (জন্ম শংসাপত্র): আবেদনকারীর বয়স যাচাই করার জন্য এই নথি প্রয়োজন।
  • Declaration of Unmarried Status (অবিবাহিত থাকার ঘোষণাপত্র): আবেদনকারী অবিবাহিত – এটি নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকের স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণাপত্র দিতে হবে।
  • Family Income Certificate (পরিবারের আয়ের শংসাপত্র): পরিবারের বার্ষিক আয় ₹১,২০,০০০ টাকার মধ্যে রয়েছে—এটি প্রমাণ করার জন্য এই শংসাপত্র প্রয়োজন।
  • Aadhaar Card (আধার কার্ড): আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই করার জন্য আধার কার্ড প্রয়োজন।
  • Bank Account Proof (ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের প্রমাণ): ছাত্রীর নিজের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এবং পাসবইয়ের কপি জমা দিতে হবে।
  • DBT Link (ডিবিটি লিঙ্ক): কন্যারত্ন প্রকল্পের টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাওয়ার জন্য DBT (Direct Benefit Transfer) লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক।
  • Photograph (ছাত্রীর ছবি): আবেদনকারীর সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।

কন্যারত্ন প্রকল্পে আবেদন পদ্ধতি ( kanyaratna Prakalpa Step-by-Step Application Process)

K1 ও K2 – অফলাইন আবেদন প্রক্রিয়া

আবেদনের আগে যা প্রয়োজন: আবেদন করার আগে ছাত্রীর নিজের নামে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা আবশ্যক। বাবা-মা/অভিভাবকের সাহায্যে অথবা স্কুল/প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় এই অ্যাকাউন্ট খোলা যেতে পারে।

আবেদনের আগে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় :

  • আবেদনপত্র শুধুমাত্র ছাত্রী যে প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে পড়াশোনা করছেন, সেখান থেকেই সংগ্রহ করতে হবে। যোগ্য সব স্কুল, কলেজ ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ছাত্রীদের কন্যারত্ন ফর্ম সরবরাহ করে।
  • সঠিক ফর্ম নিশ্চিত করুন:
    • K1 ফর্ম (বার্ষিক বৃত্তি) — হালকা সবুজ রঙের কাগজে ছাপা।
    • K2 ফর্ম (এককালীন অনুদান) — হালকা নীল রঙের কাগজে ছাপা।
  • রিনিউয়ালের ক্ষেত্রে (K1 প্রাপক, বয়স এখনও ১৮-এর কম): যেসব ছাত্রী ইতিমধ্যে K1 বৃত্তি পাচ্ছেন এবং এখনও ১৮ বছর হয়নি, তাঁদের প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, যিনি বয়স ও অবিবাহিত অবস্থা যাচাই করে রিনিউয়াল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।
  • আপগ্রেডেশনের ক্ষেত্রে (K1 প্রাপক, সদ্য ১৮ বছর হয়েছে): যেসব ছাত্রী ১৮ বছর হয়ে গেছে এবং আগে K1 পেয়েছেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত প্রি-প্রিন্টেড K2 Upgradation ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। শুধুমাত্র এই নির্দিষ্ট ফর্মই পূরণ করা উচিত — সাধারণ নীল K2 ফর্ম পূরণ করলে আবেদনটি ডুপ্লিকেট হিসেবে গণ্য হতে পারে।

kanyaratna Prakalpa Offline আবেদন করার ধাপ :

  • Form Fill Up : প্রথমত ছাত্রী বা অভিভাবকদের সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করতে হবে।
  • Details Check : এরপর একবার দেখতে হবে যে ফর্মে দেওয়া নাম এবং Bank Account-থাকা নাম যেন এক হয়। এবং এর সাথে অবশ্যই সঠিক Mobile Number দিতে হবে (SMS update-এর জন্য)
  • Signature : ফর্মের সব প্রয়োজনীয় জায়গায় সঠিক ভাবে স্বাক্ষর করতে হবে।
  • Documents Submit : সব দরকারি নথি (Documents) সংযুক্ত করতে হবে
  • Acknowledgement Slip : ফর্ম জমা দিলে স্কুল থেকে পাওয়া Acknowledgement Receipt সংগ্রহ করতে হবে।
  • Application Status Check : Form Number দিয়ে অনলাইনে Application Status ট্র্যাক করা যাবে ।
  • Scholarship Payment : টাকা সরাসরি Bank Account-এ DBT এর মাধ্যমে আসবে এবং SMS-এর মাধ্যমে কনফার্মেশন পাওয়া যাবে।

K3 – অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া (SVMCM পোর্টাল)

K1/K2-এর মতো K3 অফলাইনে নয়, বরং SVMCM (Swami Vivekananda Merit cum Means Scholarship) পোর্টালের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অনলাইনে আবেদন করতে হয় :

  1. SVMCM-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান এবং হোমপেজের ওপরে থাকা “Registration”-এ ক্লিক করুন
  2. “Non-topper” অপশন সিলেক্ট করুন
  3. নির্দেশিকা পড়ার ঘোষণাপত্রে টিক দিয়ে “Proceed for Registration”-এ ক্লিক করুন
  4. প্রাসঙ্গিক স্কলারশিপ (Kanyashree/Kanyaratna) সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন
  5. “Register”-এ ক্লিক করলে একটি Applicant ID তৈরি হবে
  6. Applicant ID ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করে প্রোফাইল/অ্যাপ্লিকেশন সম্পূর্ণ করে সাবমিট করুন


কন্যারত্ন প্রকল্পের টাকা কবে ঢুকবে 2026?

কন্যারত্ন প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর ছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ডিবিটির (DBT) মাধ্যমে আর্থিক অনুদান পাঠানো হবে। তবে নির্দিষ্ট দিন বা তারিখ সম্পর্কে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো চূড়ান্ত দিন ঘোষণা করা হয়নি।

পুরনো কন্যাশ্রী সুবিধাভোগীদের কী হবে ?

যাঁরা ইতিমধ্যে কন্যাশ্রী প্রকল্পের অধীনে K1 বা K2 সুবিধা পাচ্ছেন বা পেয়েছেন, তাঁদের সুবিধা বন্ধ হচ্ছে না। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী এটি একটি নাম পরিবর্তন মাত্র — বিদ্যমান সুবিধাভোগীদের রেকর্ড, বৃত্তি ও ভবিষ্যতে প্রাপ্য অনুদান একই নিয়মে বহাল থাকবে। নতুন আবেদনকারীদের জন্যও একই যোগ্যতা ও সুযোগ-সুবিধা প্রযোজ্য হবে, শুধু প্রকল্পের নাম ও সম্ভবত ফর্ম/পোর্টালের ব্র্যান্ডিং বদলাবে।

কন্যারত্ন দিবস

প্রতি বছর ১৪ আগস্ট পালিত হতো ‘কন্যাশ্রী দিবস’। প্রকল্পের নাম পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই দিনটি এখন থেকে ‘কন্যারত্ন দিবস’ নামে পালিত হবে।

একনজরে প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর : (FAQ)

প্রশ্ন : কন্যারত্ন প্রকল্প কী?

উত্তর: এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্বতন কন্যাশ্রী প্রকল্পের নতুন নাম। ছাত্রীদের শিক্ষায় উৎসাহ ও বাল্যবিবাহ রোধে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় এই প্রকল্পে।

প্রশ্ন: কন্যাশ্রী প্রকল্পের নাম কেন বদলানো হলো?

উত্তর: রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকার প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা বজায় রেখে এর নাম কন্যারত্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রশ্ন: কন্যারত্ন প্রকল্পে কত টাকা পাওয়া যায়?

উত্তর: K1 ধাপে বার্ষিক ₹1,000 এবং K2 ধাপে এককালীন ₹25,000। এছাড়া K3 ধাপে স্নাতকোত্তর স্তরে অতিরিক্ত সহায়তা মিলবে।

প্রশ্ন: কন্যারত্ন প্রকল্পে আবেদনের বয়সসীমা কত?

উত্তর: K1-এর জন্য ১৩–১৮ বছর এবং K2-এর জন্য ১৮–১৯ বছর, ছাত্রীকে অবিবাহিত হতে হবে।

প্রশ্ন: পরিবারের আয়ের কোনো ঊর্ধ্বসীমা আছে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, বার্ষিক আয় ₹1.2 লক্ষের নিচে হতে হবে। তবে দিব্যাঙ্গ, অনাথ ও জুভেনাইল জাস্টিস হোমের ছাত্রীদের জন্য এই ঊর্ধ্বসীমা প্রযোজ্য নয়।

প্রশ্ন: যাঁরা আগে কন্যাশ্রীর সুবিধা পেতেন, তাঁদের কি নতুন করে আবেদন করতে হবে?

উত্তর: না, বিদ্যমান সুবিধাভোগীদের সুবিধা বন্ধ হচ্ছে না। এটি নাম পরিবর্তন মাত্র।

প্রশ্ন: কন্যারত্ন প্রকল্পে আবেদন কীভাবে করব?

উত্তর: বর্তমানে স্কুল/কলেজের মাধ্যমে অফলাইনে আবেদনের পূর্ববর্তী পদ্ধতিই অনুসরণ করা হচ্ছে।

প্রশ্ন: K3 ধাপে কারা সুবিধা পাবে?

উত্তর: বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগে স্নাতকোত্তর স্তরে অধ্যয়নরত মেধাবী ছাত্রীরা K3 ধাপের সুবিধা পাবেন।

নবান্ন স্কলারশিপ ২০২৬বিস্তারিত জানুন
যুব শক্তি প্রকল্প বিস্তারিত জানুন

Leave a Comment